যারা নিত্যকর্মের অনুশীলন করেন তাদের মন ধীর স্থির ও শান্ত থাকে৷ শরীর
সুস্থ ও কর্মঠ থাকে এবং তাদের জীবন শুদ্ধ পবিত্র ও নির্মল হয়৷
নিত্যকর্মের ফলে কাজ করার একটি সুন্দর অভ্যাস গড়ে ওঠে৷সব কাজ তাঁরা সঠিক
সময়ে সঠিকভাবে করতে পারেন৷কোনো কাজে তাদের অলসতা আসে না৷ কাজের প্রতি
উৎসাহ সৃষ্টি হয়৷ এর ফলে কাজটাও যেমন সুন্দর হয় তেমনি সকল কাজে সফলতাও
আসে৷ কথায় বলে সময়ের এক ফোঁড় ,অসময়ের দশ ফোঁড়৷ অর্থ্যাৎ সময় মতো কোনো
কাজ না করলে অসময়ে সেই কাজ করতে গেলে অনেক ঝামেলা হয়৷নিত্যকর্মের দ্বারা
শুভকর্মের ফল সর্বদায় প্রত্যক্ষ করা যায় ৷প্রত্যেক শুভকর্ম করার জন্য একটা
সময় নির্ধারিত হয়ে যায়৷ নিত্য কর্মকর্তাদের ঘর বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন
শুদ্ধ ও পবিত্র থাকে৷ভোরে ঘুম ভাঙ্গতেই ব্রাক্ষমুহূর্তে শুভ সংকল্প করে
মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে শ্রদ্ধা ভক্তি সহকারে ঈশ্বরকে ডাকলে আলস্য দূর হয় এবং
সমস্ত দিন সুন্দরভাবে কেটে যায়৷ প্রাতঃকালের আধ্যাত্মিক কর্মকান্ডের ফল
দিনের যে কোনো সময়ে অনুষ্ঠিত পারমার্থিক কর্মের ফল থেকে অনেক বেশি৷
প্রতিদিন গুরুজনকে নমষ্কার করলে তাদের প্রতি কখনও খারাপ ব্যবহার অসম্মান বা
অমর্যদা করার সাহস হয় না৷
নমষ্কার বিনম্রতার প্রতীক৷যেখানে শ্রদ্ধা ভক্তি ও সম্মানের ভাব থাকে সেখানে বিনম্রতার সৃষ্টি হয় সে জন্য পিতা মাতা বিদ্বান বয়োবৃদ্ধ ও গু রুজন দের নিত্য নমষ্কার করা উচিত৷ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা যোগব্যায়াম করলে শরীল সুস্থ থাকে৷সুতরাং নিয়মিত যোগাসন করলে শরীল হৃষ্ট পুষ্ট বলবান শক্তিশালী ওজস্বী ও তেজস্বী হয়৷ এবং সকল কাজ সুষ্ঠ ভাবে করা যায়৷মানুষ মাত্রই শান্তির জন্য ঈশ্বরের উপাসনা করে৷প্রতিদিন পূজা অর্চনা ও উপাসনাদি দ্বারা ভগবানের নাম উচ্চারণ এবং তার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা জানানোর ফলে অধ্যাত্বিক চেতনা জাগ্রত হয় ৷ এর ফলে ঈশ্বরকে লাভ করা যায়৷ কর্মে অনাসক্ত ব্যক্তীর কোনো কর্মেই মন বসে না৷ তারা যা কিছু করে তা বাধ্যতামুলক, সানন্দে করে না৷ তাই তারা জীবনে উন্নতি লাভ করতে পারে না৷ সুতরাং আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিত্যকর্মের অনুশীলন করা৷
গোমুখাসন--------------------
এই আসনে অবস্থানকালে আসন অভ্যাসকারীর পায়ের অবস্থা গরুর মুখের মতো হয়৷ তাই এই আসনের নাম গোমুখাসন৷
অনুশীলন পদ্ধতি---প্রথমে দুই পা সামনের দিকে লম্বা করে ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে৷ তারতর ডান পা হাটুতে ভেঙে বাম পায়ের হাটুর উপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি বাম নিতম্ব স্পর্শ করাতে হবে৷ বাম পা হাটুতে ভেঙ্গে বাম পায়ের গোড়ালি ডান নিতম্বের পাশে স্পর্শ করাতে হবে৷ এবার ডান হাত মাথার উপর তুলে কনুইতে ভেঙ্গে ঘাড় বরাবর পিঠের ওপর দিয়ে নিচে নামাতে হবে৷বাম হাত কনুইতে ভেঙে পেছনে পিঠের উপর দিয়ে উপরের দিকে নিতে হবে৷এবার দু হাতের আঙুলগুলো বড়শির মতো করে একহাত দিয়ে অপর হাত ধরতে হবে৷ এ সময় ঘাড় ও মেরুদন্ড সোজা থাকবে৷দৃষ্টি থাকবে সামনের দিকে ৷শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে এভাবে ৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে৷ তারপর হাত দুটো ছেড়ে পা দুটো আগের মতো লম্বা করে সামনের দিকে ছড়িয়ে দিতে হবে৷ এরপর ডানের জায়গায় বাম আর বামের জায়গায় ডান করে অর্থ্যাৎ হাত পা বদল করে আসনটি আবার করতে হবে৷ এরপর ৩০ সেকেন্ড শবাসনে বিশ্রাম নিতে হবে৷এরকম চার বার করতে হবে ৷
এই আসনের উপকারিতা---
১-হাঁটুর বাত নিরাময় হয়৷
২-কাঁধ সমান হবে
৩-বাকা মেরুদন্ড সোজা হবে
৪-হজমশক্তি বৃদ্ধি হবে
৫- অনিদ্রা চলে যাবে
৬-মন শান্ত হবে
৭-ডায়াবেটিস কমে যাবে
আপনাদের বুঝার সুবিধার জন্য একটি চিত্র দেওয়া হলো--
নমষ্কার বিনম্রতার প্রতীক৷যেখানে শ্রদ্ধা ভক্তি ও সম্মানের ভাব থাকে সেখানে বিনম্রতার সৃষ্টি হয় সে জন্য পিতা মাতা বিদ্বান বয়োবৃদ্ধ ও গু রুজন দের নিত্য নমষ্কার করা উচিত৷ প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা যোগব্যায়াম করলে শরীল সুস্থ থাকে৷সুতরাং নিয়মিত যোগাসন করলে শরীল হৃষ্ট পুষ্ট বলবান শক্তিশালী ওজস্বী ও তেজস্বী হয়৷ এবং সকল কাজ সুষ্ঠ ভাবে করা যায়৷মানুষ মাত্রই শান্তির জন্য ঈশ্বরের উপাসনা করে৷প্রতিদিন পূজা অর্চনা ও উপাসনাদি দ্বারা ভগবানের নাম উচ্চারণ এবং তার উদ্দেশ্যে প্রার্থনা জানানোর ফলে অধ্যাত্বিক চেতনা জাগ্রত হয় ৷ এর ফলে ঈশ্বরকে লাভ করা যায়৷ কর্মে অনাসক্ত ব্যক্তীর কোনো কর্মেই মন বসে না৷ তারা যা কিছু করে তা বাধ্যতামুলক, সানন্দে করে না৷ তাই তারা জীবনে উন্নতি লাভ করতে পারে না৷ সুতরাং আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিত্যকর্মের অনুশীলন করা৷
গোমুখাসন--------------------
এই আসনে অবস্থানকালে আসন অভ্যাসকারীর পায়ের অবস্থা গরুর মুখের মতো হয়৷ তাই এই আসনের নাম গোমুখাসন৷
অনুশীলন পদ্ধতি---প্রথমে দুই পা সামনের দিকে লম্বা করে ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে৷ তারতর ডান পা হাটুতে ভেঙে বাম পায়ের হাটুর উপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি বাম নিতম্ব স্পর্শ করাতে হবে৷ বাম পা হাটুতে ভেঙ্গে বাম পায়ের গোড়ালি ডান নিতম্বের পাশে স্পর্শ করাতে হবে৷ এবার ডান হাত মাথার উপর তুলে কনুইতে ভেঙ্গে ঘাড় বরাবর পিঠের ওপর দিয়ে নিচে নামাতে হবে৷বাম হাত কনুইতে ভেঙে পেছনে পিঠের উপর দিয়ে উপরের দিকে নিতে হবে৷এবার দু হাতের আঙুলগুলো বড়শির মতো করে একহাত দিয়ে অপর হাত ধরতে হবে৷ এ সময় ঘাড় ও মেরুদন্ড সোজা থাকবে৷দৃষ্টি থাকবে সামনের দিকে ৷শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে এভাবে ৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে৷ তারপর হাত দুটো ছেড়ে পা দুটো আগের মতো লম্বা করে সামনের দিকে ছড়িয়ে দিতে হবে৷ এরপর ডানের জায়গায় বাম আর বামের জায়গায় ডান করে অর্থ্যাৎ হাত পা বদল করে আসনটি আবার করতে হবে৷ এরপর ৩০ সেকেন্ড শবাসনে বিশ্রাম নিতে হবে৷এরকম চার বার করতে হবে ৷
এই আসনের উপকারিতা---
১-হাঁটুর বাত নিরাময় হয়৷
২-কাঁধ সমান হবে
৩-বাকা মেরুদন্ড সোজা হবে
৪-হজমশক্তি বৃদ্ধি হবে
৫- অনিদ্রা চলে যাবে
৬-মন শান্ত হবে
৭-ডায়াবেটিস কমে যাবে
আপনাদের বুঝার সুবিধার জন্য একটি চিত্র দেওয়া হলো--
No comments:
Post a Comment