/> হিন্দু হয়ে কবরস্থানে ঢোকার কারণে হিন্দু নারীকে হত্যা,হ/ত্যাকারী মীর হোসেন গ্রেফতার - Sanatan Tv
Vedic Video!Subscribe To Get Latest Vedic TipsClick Here

সাম্প্রতিক খবর

Sanatan Tv

সত্যের সন্ধানে অনুসন্ধান

Post Top Ad

হিন্দু হয়ে কবরস্থানে ঢোকার কারণে হিন্দু নারীকে হত্যা,হ/ত্যাকারী মীর হোসেন গ্রেফতার

 


মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে হিন্দু নারী (কবিরাজ) রেখা রাণী রায় (৬৫) হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর গত ২ মার্চ রাতে শ্রীনগর থানা এলাকা থেকে প্রতিবেশী মীর হোসেনকে (৪৮) গ্রেপ্তারের পর আদালতে ঘটনার স্বীকারোক্তিতে তিনি বলেন, কবরস্থানে প্রবেশ ও চিকিৎসা সেবা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে হ/ত্যা করেন রেখা রাণীকে।


এর আগে, গত ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর বিকেলে সিরাজদীখান থানার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন রেখা রাণী রায়। পরদিন গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন ভিকটিমের দুই হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল এবং গলায় শাড়ি পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে সিরাজদীখান থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-১৮) দায়ের করেন। ২৯ দিন থানা পুলিশ তদন্ত করার পর মামলাটি পিবিআই মুন্সীগঞ্জ জেলা স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে।


পিবিআই তদন্তের শুরুতেই প্রতিবেশী মীর হোসেনের রহস্যজনক পলাতক অবস্থা এবং ভিকটিমের চিকিৎসা না দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়। প্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পিবিআই নিশ্চিত হয় যে মীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে থাকা মীর হোসেনকে গত ২ মার্চ রাত ১২টার দিকে শ্রীনগরের তন্তর ইউনিয়নের বারিগাঁও এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেন পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা।


গ্রেপ্তারের পর মীর হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, নিজের তীব্র দাঁত ব্যথা উপশমে তিনি কবিরাজ রেখা রাণী রায়ের কাছে ঔষধ চেয়েছিলেন, কিন্তু রেখা রাণী তার বাড়িতে যাননি। এরপর ১৫ অক্টোবর বিকেলে মীর হোসেন সামাজিক কবরস্থান পরিষ্কার করতে যান। মাগরিবের নামাজের প্রায় ১০ মিনিট আগে রেখা রাণী রায় কবরস্থানে প্রবেশ করতে চাইলে মীর হোসেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ার কারণে তাকে বাধা দেন।


এক পর্যায়ে রেখা রাণী বাধা উপেক্ষা করে কবরস্থানে প্রবেশ করে পুরাতন কবর থেকে মাটি ও গাছের শিকড় তোলার চেষ্টা করলে মীর হোসেনের সঙ্গে তার তর্ক ও হাতাহাতি হয়। ক্ষুব্ধ হয়ে মীর হোসেন ভিকটিমের পরিহিত শাড়ির আঁচল দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ লুকাতে তিনি নিজের কোমরে থাকা গামছা দিয়ে ভিকটিমের দুই হাত ও পা বেঁধে টেনেহিঁচড়ে পার্শ্ববর্তী ধানক্ষেতের পানিতে ফেলে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।


বর্তমানে আসামি মীর হোসেন কারাগারে রয়েছেন বলে পিবিআই সূত্রে জানা গেছে।


তথ্যসূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad