রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি করেছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা। অন্তর্ভুক্তিমূলক আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলে সমালোচকরা জানতে চেয়েছেন—শপথ অনুষ্ঠানে কেন একপাক্ষিক ধর্মীয় আচার পালন করা হলো?
জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে সেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের কোনো ধর্মীয় পাঠ বা প্রার্থনার আয়োজন ছিল না। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সমালোচকদের মতে, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র, যেখানে সংবিধান অনুযায়ী সকল ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। সে জায়গা থেকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সব ধর্মের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হলে তা অধিকতর অন্তর্ভুক্তিমূলক বার্তা দিত।
অন্যদিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রচলিত রীতিনীতির ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে।
এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

No comments:
Post a Comment