সন্দেশখালিতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সক্রিয় ভূমিকা, এবার কেন্দ্রীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অঙ্কিতা বিশ্বাস
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সাংগঠনিক দক্ষতা, নিরলস পরিশ্রম ও নেতৃত্বের পরিচয় দিয়ে নতুন সাফল্য অর্জন করেছেন অঙ্কিতা বিশ্বাস। তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রথম নারী হিসেবে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (BJYM) কেন্দ্রীয় কার্যকারিণীর সদস্য হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত অঙ্কিতা বিশ্বাস। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (ABVP) সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার রাজ্য পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে একজন সক্রিয় সংগঠক ও নেতৃত্বের প্রতিভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বিশেষ করে সন্দেশখালির মতো সংবেদনশীল এলাকায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং সেখানে মানবতাবিরোধী বলে অভিযোগ করা বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের ভূমিকা তাঁর রাজনৈতিক পথচলায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং সমাজকে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে তিনি নিজের সাংগঠনিক পরিচিতি গড়ে তুলেছেন।
তাঁর এই ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কেন্দ্রীয় স্তরে দায়িত্ব পাওয়াকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অঙ্কিতা বিশ্বাসের এই অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং যুব রাজনীতিতে নারীদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাৎপর্যপূর্ণ। তৃণমূল স্তরে সংগঠন গড়ে তোলা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কার্যকারিণীতে স্থান পাওয়া—তাঁর এই যাত্রা ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পথ প্রশস্ত করতে পারে।
সন্দেশখালির মাটি থেকে কেন্দ্রীয় রাজনীতির মঞ্চ—অঙ্কিতা বিশ্বাসের এই উত্থান পশ্চিমবঙ্গের নারী নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।
প্রতিবেদন: সনাতন টিভি

No comments:
Post a Comment