![]() |
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেও সংলাপের পথ খোলা রাখার বার্তা দিয়েছে দুই দেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সোমবারের এই বৈঠক ছিল প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ। সীমান্ত, ভিসা, বাণিজ্য, পানি বণ্টন ও রাজনৈতিক নানা ইস্যুতে মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে বাস্তববাদী ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নদীর পানি—বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পারস্পরিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত। তাই বিরোধকে বৈরিতায় পরিণত না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজাই হতে পারে উভয় দেশের জন্য কার্যকর পথ।
বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়, তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে সমতা, সম্মান ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে। সীমান্ত হত্যা, পুশইন, পানি বণ্টন, বাণিজ্যিক ভারসাম্য ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে ধারাবাহিক সংলাপ প্রয়োজন।
সাম্প্রতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ তাই শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠক নয়; বরং ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের তিক্ততা কমিয়ে নতুন করে সংলাপ ও সহযোগিতার সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

No comments:
Post a Comment