চট্টগ্রাম নিজস্ব প্রতিনিধি: সাগর দে - ১৭ই এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার
সনাতন ধর্মীয় মূল্যবোধ, সমাজসেবা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক নবযুগ পত্রিকা’র ৮ম সংখ্যার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। নবযুগ মা দুর্গা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান ঘিরে এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার ১৪ এপ্রিল ২০২৬ বাঁশখালীর বানীগ্রামস্থ পশ্চিম পাড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্রপাল মায়ের মন্দির প্রাঙ্গণে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রাণ নারী-পুরুষ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, তরুণ সমাজকর্মী ও ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, নবযুগ পত্রিকা শুধু একটি প্রকাশনা নয়, এটি ধর্মীয় চেতনা জাগরণ, সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পত্রিকাটির প্রতিটি সংখ্যায় ধর্মীয় উপদেশ, সমাজকল্যাণমূলক সংবাদ, ঐতিহাসিক তথ্য, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড স্থান পেয়ে থাকে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মোড়ক উন্মোচন শেষে বিশেষ প্রার্থনা ও আশীর্বাদ কামনা করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথিদের মাঝে পত্রিকার নতুন সংখ্যা বিতরণ করা হয়।
ত্রৈমাসিক নবযুগ পত্রিকার ৮ম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঋষিপুত্র, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল তপন মিত্র চৌধুরী। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নবযুগ মা দুর্গা ফাউন্ডেশনের সভাপতি রাজিব দে ডেন্টিস্ট। নবযুগ মা দুর্গা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা স্বদেশ দাশ এর সভাপতিত্বে এবং ত্রৈমাসিক নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক সৈকত দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।
এসময় মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২ নং সাধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব কে এম সালাউদ্দিন কামাল, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুমন দে, ঋষিপুত্র প্রদীপ মিত্র চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মাস্টার শ্যামল কান্তি দে, পার্থ সারথি দে, ইউপি সদস্যা দিপ্তী দাশ, ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জনাব মো: দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষক সমিত দে এবং নবযুগ মা দুর্গা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অরূপ রতন ঘোষ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ত্রৈমাসিক নবযুগ পত্রিকার মতো প্রকাশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমন আয়োজন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করারও একটি অনন্য উদ্যোগ। অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নানা বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

No comments:
Post a Comment