/> সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পণতীর্থ মহাবারুনী গঙ্গাস্নান শুরু আগামীকাল - Sanatan Tv
Vedic Video!Subscribe To Get Latest Vedic TipsClick Here

সাম্প্রতিক খবর

Sanatan Tv

সত্যের সন্ধানে অনুসন্ধান

Post Top Ad

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পণতীর্থ মহাবারুনী গঙ্গাস্নান শুরু আগামীকাল

 


বিজয় সরকার, সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো চিফ – সনাতন টিভি


দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় তীর্থস্থান সুনামগঞ্জ সীমান্তের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদীতে এবার লাখো পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটেছে। ০২ ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ ই মার্চ ২০২৬ ইং,রোজ: মঙ্গলবার (ভোর ৫/৫৩/৫৯ হতে সকাল ৮/৩৭/৫৫ এর মধ্যে) মহাবারুণী গঙ্গাস্নান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্নানের জন্য তাহিরপুরে সমবেত হয়েছেন পুণ্যার্থীরা।


হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা জানান, চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে জাদুকাটা নদীতে স্নান করলে সব পাপ মোচন হয় বলে প্রচলিত আছে। পুণ্য লাভের আশায় প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই সময়ে লাখো মানুষ আসেন জাদুকাটা বা পুণ্যতীর্থে স্নান সারতে। এ নদীতে স্নান করাকে অনেকে গঙ্গাস্নানের সমতুল্য মনে করেন।


প্রচলিত আছে, ১৪০০ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে মাকে গঙ্গাস্নান করানোর জন্য যোগ সাধনা বলে পৃথিবীর সমস্ত তীর্থের জল জাদুকাটা নদীর প্রবহমান জলের ধারায় একত্রিত করে মাতৃআজ্ঞা পূরণ করেছিলেন তখনকার লাউর রাজ্যের সাধক ও সিদ্ধপুরুষ অদ্বৈতচার্য। তার সাধনাসিদ্ধ ফল বারুনী যোগ নামে অভিহিত। চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতীসহ সাত পুণ্যনদীর প্রবাহ একসঙ্গে জাদুকাটায় (পুণ্যতীর্থে) এসে মিশে বলেও বিশ্বাস করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এজন্য তারা মনে করেন সব তীর্থের সেরা তীর্থ এটি। এখানে স্নান করলে গঙ্গাস্নানের চেয়েও বেশি পুণ্য হয় বলে বিশ্বাস রয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে।


পুণ্যতীর্থ বারুনী স্নান উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব জানান, ‘এবার স্নানের যোগ, আবহাওয়া, এমনকি সড়কের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভালো। তাই পুণ্যার্থীর আগমন বেশি হয়েছে।’


মেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তাহিরপুর থানার ওসি জানান, ‘আখড়াবাড়ী, পুণ্যতীর্থধামে গঙ্গাস্নান, গড়কাটি ইসকন মন্দির, বারুনী মেলা ও ওরস মোবারক আস্তানায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর চারটি অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ডিএসবি, সাদা পোশাকধারী পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষ নজরদারি রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ সড়কগুলোতে যাতায়াতকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি প্রতিরোধে একাধিক পুলিশ ও বিজিবির টহল দল রয়েছে।’

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad